শনিবার; 07 নভেম্বর 2026 আর্কাইভ
CampusLenzBD
শনিবার; 07 নভেম্বর 2026 | আর্কাইভ
সাফল্য

২৫২ দলকে পেছনে ফেলে ‘ই-আইকন’ প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী

২৫২ দলকে পেছনে ফেলে ‘ই-আইকন’ প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী
২৫২ দলকে পেছনে ফেলে ‘ই-আইকন’ প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী © সংগৃহীত
দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ১৬তম ‘e-ICON World Contest’-এ বিশ্বসেরা হয়েছে ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজের (ডিআরএমসি) দুই শিক্ষার্থী। বিশ্বের ২৫২টি দলকে পেছনে ফেলে তারা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে ‘Minister of Education Award’ জয় করেছেন।

গত ৮ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে দলটি প্রথম স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৫২টি দল অংশ নেয়।

ডিআরএমসির শিক্ষার্থী মো. শাফিউল আলম সিদ্দিকী শ্রেষ্ঠ ও অরণ্য আবীর খান প্রাপ্য দক্ষিণ কোরিয়ার দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দল গঠন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ‘Arup-Bit’ নামের দলটি কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও সার্বিক সুস্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ‘Lighthouse’ নামে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) অ্যাপ তৈরি করে।

অ্যাপটিতে ‘Lumi’ নামে একটি বহুভাষিক AI companion বা ভার্চুয়াল সহকারী রাখা হয়েছে। কিশোর-কিশোরীদের সুস্থতা ও দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যেই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে।

জয়ী হবার পর অনুভূতি ব্যক্ত করে টিম লিডার মো. শফিউল আলম সিদ্দিকী শ্রেষ্ঠ বলেন, দুটি ভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের একই প্রজেক্টে নিয়ে কাজ করানোটা টেকনিক্যালি এবং সময় মেলানোর দিক থেকে বেশ বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। টিম লিডার হিসেবে আমার কাজ ছিল পরিকল্পনা সাজানো এবং কোডিং থেকে শুরু করে প্রেজেন্টেশন পর্যন্ত কাজের কোয়ালিটি ধরে রাখা। স্যারের সঠিক নির্দেশনা আর দলের কঠোর পরিশ্রম ছাড়া এই অর্জনে পৌঁছানো সম্ভব ছিল না।

দলের সদস্য অরণ্য আবীর খান প্রাপ্য বলেন, সিউলের মঞ্চে পুরস্কারটা হাতে পাওয়ার পর মুহূর্তটা অসাধারণ ছিল। তবে সবচেয়ে ভালো লাগছে এই ভেবে যে আমাদের তৈরি 'লাইটহাউস' অ্যাপ বাংলা, ইংরেজি ও কোরিয়ান তিন ভাষাতেই তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে পারবে। আমরা শুধু দেখাতে চেয়েছিলাম যে সুযোগ পেলে বাংলাদেশের তরুণরাও নতুন কিছু তৈরি করে দেখাতে পারে।

ডিআরএমসির আইসিটি শিক্ষক সায়েদ মাহবুব হাসান আমিরির তত্ত্বাবধানে দলটি প্রকল্পটি তৈরি করে। পুরস্কার গ্রহণের সময় দলের সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষক সায়েদ মাহবুব হাসান আমিরি, দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষার্থী ইউনগিউ লি (Yoonkyu Lee) ও জুনমো কিম (Junmo Kim) এবং দক্ষিন কোরিয়ার শিক্ষক সুনইয়ং ইউন (Sunyoung Yoon) উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশের প্রথম হিন্দু নারী বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের অনুপ্রেরণার গল্প success

বাংলাদেশের প্রথম হিন্দু নারী বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের অনুপ্রেরণার গল্প

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক

শৈশবে বাবার আদালতে বিচার কার্যক্রম দেখে বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কৃষ্ণা দেবনাথ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে মাত্র ২৬ বছর বয়সে বিচার বিভাগে যোগ দেন তিনি। দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০২২ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম হিন্দু নারী বিচারক হিসেবে পরিচিত কৃষ্ণা দেবনাথের জীবনপথ বিচারাঙ্গনে নারীর অগ্রযাত্রার এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

জাবির সাবেক শিক্ষার্থী ওয়ালিদ ইসলাম, দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের বিসিএস ক্যাডার success

জাবির সাবেক শিক্ষার্থী ওয়ালিদ ইসলাম, দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের বিসিএস ক্যাডার

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ওয়ালিদ ইসলাম দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দিয়ে চীন, জাপান, মালয়েশিয়া ও ভারতে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ দূতাবাস, তেহরানে ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

টেসলার রোডস্টারের নকশায় কাজ করেছেন বুয়েটের তারেক সরোয়ার! success

টেসলার রোডস্টারের নকশায় কাজ করেছেন বুয়েটের তারেক সরোয়ার!

প্রতিবেদক: সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার রোডস্টারের নতুন মডেলের গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল প্রকল্পে কাজ করেছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী তারেক সরোয়ার। ২০২৩ সালে ইন্টার্নশিপ চলাকালে গাড়িটির আন্ডারবডির দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা বিশ্লেষণের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া ফলাফল পরবর্তী সময়ে যন্ত্রাংশটির চূড়ান্ত নকশা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

১৪১ দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে অক্সফোর্ডের পূর্ণ বৃত্তি পেলেন বাংলাদেশি নাজিফা success

১৪১ দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে অক্সফোর্ডের পূর্ণ বৃত্তি পেলেন বাংলাদেশি নাজিফা

প্রতিবেদক: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন অধ্যয়নে এমফিল করছেন বাংলাদেশের নাজিফা বিনতে হারুন। ওডিআইডি ডিএসি স্কলারশিপের আওতায় তাঁর পড়াশোনার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করা হচ্ছে। একাডেমিক সাফল্য, উন্নয়ন খাতে কাজের অভিজ্ঞতা ও সুস্পষ্ট লক্ষ্যকে আবেদনে তুলে ধরে অর্জন করেছেন এই মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি।