বুধবার; 23 সেপ্টেম্বর 2026 আর্কাইভ
CampusLenzBD
বুধবার; 23 সেপ্টেম্বর 2026 | আর্কাইভ
বিনোদন ও সংস্কৃতি

ফেসবুক ব্যবহার ছাড়ার কারণ জানালেন আসিফ...

ফেসবুক ব্যবহার ছাড়ার কারণ জানালেন আসিফ...
আসিফ আকবর | আসিফ আকবরের ফেসবুক পেজ
সমসাময়িক তারকাদের মধ্যে গায়ক আসিফ আকবর একটু দেরিতে ফেসবুক ব্যবহার শুরু করেন। দেরিতে ব্যবহার শুরু করলেও ফেসবুকে ভালো অনুসারী গ্রুপ তৈরি হয় তাঁর। হঠাৎ সম্প্রতি একটি সিনেমার অনুষ্ঠানে জানালেন, তিনি এখন আর ফেসবুক ব্যবহার করছেন না। তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি ও পেজ দুটোই ডি–অ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক ব্যবহার থেকে দূরে থাকায় আগের চেয়ে ভালো আছেন বলে আজ শুক্রবার প্রথম আলোকে জানালেন আসিফ আকবর।

ব্যবহার ছাড়ার কারণ হিসেবে ফেসবুক নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা জানান আসিফ আকবর। দেশের জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর মতে, একসময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত ফেসবুক এখন বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে আগের অবস্থানে নেই। বিশেষ করে যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভিন্ন তথ্য ও খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিরক্ত তিনি।

আসিফ আকবর বলেন, ‘ফেসবুক ছিল একটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। কিন্তু ফেসবুকে এখন সেখানে ধর্ম প্রচার হচ্ছে, অনলাইন অর্ডার করা হচ্ছে। ফেসবুক এখন আর ফেসবুকের জায়গায় নেই। কোন নিউজ বিশ্বাস করব, কোনটি সত্য—বলা যায় না। আমাকে রিউমর স্ক্যান করে ফোন দিয়ে বলতে হয়, “ভাই, আমি তো এটা বলিনি।”’ কথা প্রসঙ্গে আসিফ আকবর বলেন, ‘তারপর তাঁরা (রিউমর স্ক্যান) স্ক্যান করে দেখেন। এরপর আবার সেটি প্রকাশ করতে হয়। এটা একটা রেসপনসিবিলিটির জায়গা। কিন্তু সেটি যদি ঠিক না থাকে, তাহলে মানুষকে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হতে হয়।’

আসিফের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে সেটি যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে তারকাদের নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য, মন্তব্য কিংবা খবর ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার অভাব থাকলে সাধারণ মানুষ সহজে বিভ্রান্ত হন। এমন পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্যের সত্যতা নিয়েও বারবার ব্যাখ্যা দিতে হয় বলে জানান তিনি। তাই ফেসবুক ব্যবহার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আসিফ। এদিকে ফেসবুক ব্যবহার থেকে দূরে সরে গেলেও সংগীতের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আসিফ আকবর। নতুন গান রেকর্ডিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত স্টেজ শো নিয়েও ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কথা প্রসঙ্গে আসিফ বললেন, ‘ফেসবুকে অনেক সময় যেত। এখন সেই সময়টা পরিবারকে দিচ্ছি। পড়াশোনায় দিচ্ছি। মনে হচ্ছে, আরও জানা দরকার। এখন পর্যন্ত সময়টা আমার নিজের খুব ভালো কাটছে।

সম্পর্কিত খবর

আশি-নব্বই দশকের নস্টালজিক ছবি বানাতে সেরা ২০ এআই প্রম্পট entertainment-culture

আশি-নব্বই দশকের নস্টালজিক ছবি বানাতে সেরা ২০ এআই প্রম্পট

প্রতিবেদক: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আশি ও নব্বই দশকের নস্টালজিয়া ফিরিয়ে আনার ছবি তৈরির ট্রেন্ড। ‘হোয়াট ওয়্যার ইউ লাইক ইন দ্য ’৯০স’ কিংবা ‘আশির দশকে আপনি কেমন ছিলেন’ ধরনের প্রশ্নকে কেন্দ্র করে তৈরি এসব ছবি ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বাংলাদেশেও গত কয়েক দিন ধরে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে এ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

মৃত পুলিশ থেকে যন্ত্রমানব, ফিরছে ‘রোবোকপ’ entertainment-culture

মৃত পুলিশ থেকে যন্ত্রমানব, ফিরছে ‘রোবোকপ’

প্রতিবেদক: সংগৃহীত

একজন পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে খুন হলেন। গল্পটা সেখানেই শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু একটি ক্ষমতাধর করপোরেশন তাকে ফিরিয়ে আনল। তবে মানুষ হিসেবে নয়, অর্ধেক মানুষ আর অর্ধেক যন্ত্র হিসেবে। হাতে অস্ত্র, শরীরে লোহার বর্ম, আর মাথার ভেতর রয়ে গেল আগের জীবনের স্মৃতি। নাম তার রোবোকপ।

অভিনয়ে সপ্তাহে পেতেন ৬০–৬৫ টাকা, স্ত্রীসহ থাকতেন উপোসও, একদিন হয়ে ওঠেন ঢালিউডের মহানায়ক entertainment-culture

অভিনয়ে সপ্তাহে পেতেন ৬০–৬৫ টাকা, স্ত্রীসহ থাকতেন উপোসও, একদিন হয়ে ওঠেন ঢালিউডের মহানায়ক

প্রতিবেদক: সংগৃহীত

একসময় সংসারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতেন। টেলিভিশনে অভিনয় করে সপ্তাহে পেতেন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। মাসের খরচ ছিল প্রায় ৬০০ টাকা। সন্তানদের দুধ জোগাড় করতেই সামান্য আয় শেষ হয়ে যেত। কখনো স্ত্রীকে নিয়ে উপোসও করতে হয়েছে। টাকাপয়সার অভাবে ফার্মগেট থেকে ডিআইটি টেলিভিশন কেন্দ্রে হেঁটে যেতেন। সেই মানুষটিই একদিন হয়ে উঠলেন ঢালিউডের মহানায়ক—নায়করাজ রাজ্জাক। শূন্য হাতে ঢাকায় এসে ল্যাম্পপোস্টের নিচে বসা সেই তরুণের জীবন যেন সত্যিই কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়।

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে উৎসবমুখর পরিবেশে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত entertainment-culture

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে উৎসবমুখর পরিবেশে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপিত

প্রতিবেদক: UU Student

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে যথাযথ মর্যাদা ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জয়ন্তী। ২০ আগস্ট / ০৫ ভাদ্র বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে ‘রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী’ উপলক্ষে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।